পাহাড়ী প্রথম নওমুসলিম ওমর ফারুক সন্ত্রা"সীদের গুলিতে শহীদ!

 


শহীদ ওমর ফারুক (রহঃ) (পাহাড়ের শহীদ)


তাঁর একক প্রচেষ্টায় অন্ধকার পাহাড়ে ছড়াচ্ছিলো দ্বীনের আলো। ইসলামের সুশীতল ছায়ায় এসেছিলো বহু উপজাতি ভাইবোন। শান্তি বাহিনী নামক পাহাড়ি স*ন্ত্রাসীদের বুলেট থামিয়ে দিলো আমাদের ভাইয়ের পথচলা। শুক্রবার রাত ৮ টা নাগাদ বাড়ি থেকে ডেকে এনে তাঁর তৈরী মসজিদ প্রাঙ্গণে ব্রাশফায়ার করে পাহাড়ি স*ন্ত্রাসীরা। মিশনারী বা অন্য কেউ হলে বাম পাড়ায় হুলস্থুল পড়ে যেতো, মিডিয়ায় খানিক পর পর আপডেট দেয়া হতো। কিন্তু মুসলিম হওয়ায় মিডিয়া কভারেজ পাচ্ছে না আমাদের ভাইয়ের হত্যাকাণ্ড।


২০১৪ সালে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং উনিই এই পাহাড়ের প্রথম মুসলিম এবং তার মাধ্যমে সেখানে আরও ৩০ টি পরিবার ইসলাম গ্রহণ করেছে আলহামদুলিল্লাহ। ফটোতে যে মসজিদ দেখতে পাচ্ছেন। উনার নিজের জমিতে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি  নামাজের ইমাম ছিলেন। পাহাড়ে একটা মসজিদ নির্মাণ করা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু ব্যক্তিটি একাই ইসলাম গ্রহণ করে, এই সাহসিকতায় সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণের জন্য জায়গা করে দিয়েছে অথচ লোকটি জানত তার চারপাশে পাহাড়ি স*ন্ত্রাসীরা দিনে রাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।


ইসলাম গ্রহণের  'অপরাধে' দীর্ঘদিন যাবত স*ন্ত্রাসীরা সেখানকার মুসলিমদেরকে হুমকি দিয়ে আসছিল, এলাকাবাসীর তথ্য মতে, তারই জেরে নওমুসলিম ওমর ফারুক ভাইকে বুকে ও মাথায় গু*লি করে শহীদ করে। আল্লাহ তাকে শহীদি মর্যাদা নসীব করুন। (আমীন)


উল্লেখ্য যোগ্য বিষয় হচ্ছে যে,  পার্বত্য অঞ্চলে নওমুসলিম অনেক ভাই ও বোনদের সাথে নির্যাতন ও বৈষম্যের ঘটনা ঘটছে।


উঠিয়ে নেয়া সেনা ক্যাম্প পুনর্স্থাপিত করা হোক। "পাহাড়ের শহীদ" হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হোক। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক তুলাছড়ির নওমুসলিমদের। নয়তো এদেরও হত্যা করা হবে অথবা জোর করে ধর্মান্তরিত করায়।

1 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন